Friday , May 28 2021

১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খনন করা হবে:প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্কঃ ২০২৫ সালের মধ্যে সারাদেশে ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খনন করা হবে বলে জানিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বৃহস্পতিবার (৬ মে) নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থার নতুন অবকাঠামো ও জলযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নদীগুলোকে আমাদের বাঁচাতেই হবে। বাংলাদেশ বদ্বীপ, এটাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এই বদ্বীপটা যেন উন্নত হয়।
তিনি বলেন, জাতির পিতা মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করে সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করেছিলেন। ভারতের সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছিলেন, সম্পন্ন করতে পারেননি। তিনিই প্রথম সমুদ্রসীমা আইন করে দিয়ে যান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নৌ-বন্দর যেমন অভ্যন্তরীণ তেমনি বিশাল সমুদ্রসীমা আমাদের রয়েছে। জাতির পিতা ড্রেজার সংগ্রহ করেছিলেন। পঁচাত্তর-পরবর্তী জেনারেল জিয়াউর রহমান, জেনারেল এরশাদ ও খালেদা জিয়া তাদের কিন্তু ড্রেজার সংগ্রহে কোনো মনোযোগ ছিল না।

তিনি বলেন, যেসব নৌযান চলাচল করে প্রত্যেকটা নৌযানের রেজিস্ট্রেশন থাকা উচিত। রেজিস্ট্রেশন না থাকলে কখন কে কী নৌযান চালাচ্ছে বোঝা যায় না। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে আমরা যদি নৌযান পরিচালনা করতে পারি, আমি মনে করি দুর্ঘটনা কমে যাবে। নৌযানে যাতায়াতকারী ও পরিচালনাকারী সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবনের ভেতরের জলপথ এখন আর ব্যবহার হয় না, তাতে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি রামপাল প্রকল্পের মাধ্যমে ওই অঞ্চলের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নৌপথ প্রতিবেশীরা ব্যবহার করলে তাতে বাংলাদেশেরই উন্নয়ন। সরকার প্রতিবেশীদের সে সুযোগ-সুবিধা দিতে সচেষ্ট। নদীমাতৃক বাংলাদেশে জলপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের বিকল্প নেই।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অারো বলেন, ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনরোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। একই সঙ্গে সব নৌযানের নিবন্ধন থাকতে হবে। আর করোনা সংক্রমণরোধে সক্ষম হতে না পারা পর্যন্ত কোথাও যাতায়াতের প্রয়োজন নেই।

এদিকে,সচিবালয় প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থার নতুন অবকাঠামো ও জলযান চালু হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে বিআইডাব্লিউটিএ’র ২০টি কাটার সাকশন ড্রেজার, ৮৩টি ড্রেজার সহায়ক জলযান, প্রশিক্ষণ জাহাজ ‘টিএস ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী দাদা ভাই, বিশেষ পরিদর্শন জাহাজ ‘পরিদর্শী’, নবনির্মিত নারায়ণগঞ্জ ড্রেজার বেজ, বিআইডাব্লিউটিসির দুইটি উপকূলীয় যাত্রীবাহী জাহাজ ‘এমভি তাজউদ্দীন আহমদ’ ও ‘এমভি আইভি রহমান’, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের ‘পায়রা আবাসন’ পুনর্বাসন কেন্দ্র এবং পাবনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেট মেরিন একাডেমি।

Check Also

আমবাহী ‘ম্যাঙ্গো ট্রেন’ চালু হচ্ছে আজ

নতুন সূর্য ডেস্ক: দেশের উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকায় আম পরিবহনের জন্য আজ চালু হচ্ছে ‘ম্যাঙ্গো স্পেশাল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *