Wednesday , August 18 2021

ডিমলায় মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক:মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম(মউশিক)ইসলামিক ফাউন্ডেশন শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে, বুধবার(১৮ ই আগস্ট) ডিমলা উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সহ ‘৭৫ এর ১৫ ই আগস্ট নিহত সকল শহীদদের ৪৬ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে কুরআন খানি,আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়শ্রী রাণী রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব বীরমুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার,মাননীয় সাংসদ নীলফামারী-১। এসময় তিনি বলেন, ‘কোন নিষিদ্ধ সংগঠনের সাথে জড়িত হওয়া যাবে না। মাদক,সন্ত্রাস ও দুর্নীতি মুক্ত দেশ গড়তে হবে।’

এসময় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলার উপ-পরিচালক এ কে এম জাকিউজ্জামান।

উপ-পরিচালক বলেন ‘বঙ্গবন্ধু না হলে আজ আমরা ইসলামিক ফাউন্ডেশন পেতাম না। বঙ্গবন্ধুর কারনে আজ হাজারও আলেম-ওলামার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। তিনি না হলে আজ স্বাধীন ভুখন্ড সোনার বাংলাদেশ পেতাম না। তিনি কাকরাইল মসজিদ,টঙ্গী বিশ্ব ইস্তেমার মাঠ করে দিয়েছেন।’

তিনি আরো বলেন,’বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের বিভিন্ন বই অধ্যায়ন করতে হবে। এ সরকার জনগণের সরকার বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবশ্যই তিনি দেখবেন এই আশা ব্যক্ত করেন।’

অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা তবিবুল ইসলাম।উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক সরকার মিন্টু, ডিমলা থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম,জেলা পরিষদের সদস্য ফেরদৌস পারভেজ,ডিমলা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম সরকার।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ডিমলা ফিল্ড সুপারভাইজার রাকিবুল ইসলাম’সহ মাওলানা জুবাইদুর রহমান, মাওলানা দিসাদ মিয়া, মাওলানা আঃ জাব্বার, মাওলানা মিজানুর রহমান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে ২২ শে মার্চ ইসলাম প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন।মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্প ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৃহৎ প্রকল্প। প্রথম পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম জানুয়ারি ১৯৯৩ সালে শুরু হয়ে ধারাবাহিকভাবে চলমান রয়েছে।এতে সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড শিক্ষা বিস্তারের কাজে মসজিদের ইমাম সাহেবের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৩ সালে মসজিদ ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় প্রাক-প্রাথমিক, সহজ কুরআন ও বয়স্ক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেন। বর্তমানে ৭৩৭৬৮ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা কর্মরত রয়েছেন।

Check Also

নামের আগে ‘ডাক্তার’ লিখতে পারবেনা হোমিও-ইউনানি ডিগ্রিধারীরা

নিউজ ডেস্ক: হোমিওপ্যাথিক ও ইউনানি চিকিৎসাশাস্ত্রে ডিগ্রিধারীরা নামের আগে ডাক্তার পদবী ব্যবহার করতে পারবেন না …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *